২৫ জুলাই ২০২৬ | ০৫:১১

নিহত প্রিয়া নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার সেবারহাট এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে। পারিবারিক সমস্যার কারণে গত তিন বছর ধরে তিনি পরশুরামের স্থানীয় এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহেদা আক্তার তিমুর বাসায় কাজ করছিলেন।

নিপীড়নের বিরুদ্ধে মশাল জ্বেলে গানে গানে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের আরও পড়ুন নিপীড়নের বিরুদ্ধে মশাল জ্বেলে গানে গানে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে ফ্ল্যাটের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান গৃহকর্ত্রী। অনেক ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো প্রিয়ার মরদেহ ঝুলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে সুরতহাল শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ধাতব ‘লাভ’ আকৃতির একটি বস্তু এবং ডায়েরির একটি পাতায় ইংরেজিতে ‘K+P’ লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে। তবে মৃত্যুর পেছনে চিরকুটটির কোনো সম্পর্ক রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

গৃহকর্ত্রী জাহেদা আক্তার তিমু জানান, সকালে স্কুলে যাওয়ার সময়ও প্রিয়ার সঙ্গে স্বাভাবিক কথা হয়েছিল। তাকে তিনি পরিবারের সদস্যের মতোই দেখতেন।

পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, এটি হত্যা না আত্মহত্যা–তা তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।