দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এশিয়ান পেইন্টস ২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে। দেশের বাজারে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান, উদ্ভাবন ও ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন এশিয়ান পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এস এম মিনহাজ।

প্রথম আলো: দেশে এশিয়ান পেইন্টসের অবস্থান ও উৎপাদনের সক্ষমতা কেমন?

একাধিক রাজ্যে ধরপাকড়, ককরোচেরা উদ্বিগ্ন আরও পড়ুন একাধিক রাজ্যে ধরপাকড়, ককরোচেরা উদ্বিগ্ন

কে এস এম মিনহাজ: গাজীপুর ও মিরসরাইয়ে দুটি উৎপাদন কারখানার মাধ্যমে আমরা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পেইন্ট ব্র্যান্ড হিসেবে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছি। বাজারে সরবরাহ করা আমাদের প্রায় ৯৯ শতাংশ পণ্যই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত। এ ছাড়া এক হাজারের বেশি ডিলারের সরবরাহব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের সব জেলায় গ্রাহকদের দোরগোড়ায় আমাদের পণ্য ও সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

প্রথম আলো: সাম্প্রতিক সময়ে রঙের বাজারে গ্রাহকদের চাহিদায় কী পরিবর্তন দেখছেন?

বিজ্ঞাপন

কে এস এম মিনহাজ: রং এখন আর কেবল ঘরের দেয়াল ঢাকার পণ্য নয়, এটি মানুষের ব্যক্তিত্ব ও জীবনযাত্রার নন্দন চেতনার প্রকাশ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে ক্রেতারা ঘরের নান্দনিক রূপ নিয়ে অনেক বেশি সচেতন। তাঁরা এখন সাধারণ রঙের বদলে উন্নত ফিনিশিং, দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানের পণ্যের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।

প্রথম আলো: পরিবর্তনশীল ক্রেতার চাহিদা মেটাতে আপনারা উদ্ভাবনে কোন বিষয়গুলোয় জোর দিচ্ছেন?

কে এস এম মিনহাজ: আবহাওয়াজনিত আর্দ্রতা ও দেয়ালে নোনা ধরার সমস্যা বেশ প্রকট। তাই দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে আমরা ওয়াটারপ্রুফিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কেমিক্যাল ক্যাটাগরিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। পাশাপাশি দেয়ালকে সব সময় পরিষ্কার রাখতে এনেছি ‘নন–স্টিক পেইন্ট’। নান্দনিক সৌন্দর্যের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার।

প্রথম আলো: দক্ষিণ এশিয়ায় এশিয়ান পেইন্টসের আঞ্চলিক গ্রহণযোগ্যতা স্থানীয় বাজারে কীভাবে সাহায্য করছে?

কে এস এম মিনহাজ: বিশ্বজুড়ে ১৪টি দেশে ব্যবসা ও ২০০ জনের বেশি গবেষকের বৈশ্বিক প্রযুক্তি আমাদের বড় শক্তি। আন্তর্জাতিক গবেষণাগারের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও পণ্যের সর্বোচ্চ উৎকর্ষকে আমরা স্থানীয় বাজারের প্রয়োজন অনুযায়ী কাজে লাগাচ্ছি। ফলে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড ও লোকাল চাহিদার সঠিক সমন্বয়ে আমরা গ্রাহকদের সেরা অভিজ্ঞতা ও আস্থাশীল সেবা দিতে পারছি।