২৬ জুলাই ২০২৬ | ০৮:০৪ | আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৬ | ০৮:০৬

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের দুটি খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি আশা করেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের পর দ্রুত জাতীয় সংসদে পাসের জন্য উত্থাপন করা হবে।

একাধিক রাজ্যে ধরপাকড়, ককরোচেরা উদ্বিগ্ন আরও পড়ুন একাধিক রাজ্যে ধরপাকড়, ককরোচেরা উদ্বিগ্ন

গতকাল শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আয়োজিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিবিষয়ক এক পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ অধিবেশন বসবে। সুতরাং বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।

বিজ্ঞাপন

এর আগে অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এ বিষয়ে আমরা এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে রয়েছি। তিনি বলেন, ধর্ষণের মামলা যতই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হোক না কেন, তা কোনোভাবেই প্রত্যাহার করা হবে না। 

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে বিচারবহির্ভূত হত্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। গুমের বিষয়ে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

দিনব্যাপী পরামর্শ সভায় সূচনা বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি ড. তাসনিম সিদ্দিকী। সভায় উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।