আধুনিক কাতারের স্থপতি সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকার একটি উপযুক্ত সড়ক তাঁর নামে নামকরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

একাধিক রাজ্যে ধরপাকড়, ককরোচেরা উদ্বিগ্ন আরও পড়ুন একাধিক রাজ্যে ধরপাকড়, ককরোচেরা উদ্বিগ্ন

এর আগে জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ১৪৭ বিধি অনুসারে মরহুম শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির নামে একটি সড়কের নামকরণের প্রস্তাব দিয়ে জাতীয় সংসদে নোটিশ দেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গতকালকেই ঢাকা সিটি করপোরেশনে একটি উপযুক্ত সড়ক নির্ধারণ করে সেটিকে মরহুমের নামে নামকরণের জন্য আমি এলজিআরডি মন্ত্রণালয়কে মৌখিকভাবে নির্দেশনা প্রদান করেছি।’

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাতার বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় সহযোগিতা করেছে। দেশটি লাখো বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে হরমুজ প্রণালি ঘিরে একটি পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সময় কাতার নিজেও আক্রান্ত হওয়ার পর বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিজেদের নাগরিকদের মতো দেখভাল করেছে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

তারেক রহমান বলেন, ‘কাতার এমন একটি দেশ যারা আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দেশের অগ্রযাত্রায় আমাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে বা করছে এখনো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাতারে কর্মরত বাংলাদেশিদের মাধ্যমে দেশটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নযাত্রারও অংশীদার হয়েছে।

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি ১২ জুলাই মারা যান। এ কারণে বাংলাদেশে ১৫ জুলাই রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা তাঁর নোটিশে বলেন, কাতারের মরহুম আমিরের দূরদর্শী নেতৃত্বেই কাতার বিশ্বপরিসরে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও প্রভাবশালী দেশে পরিণত হয়েছে। এবং তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ-কাতার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে।

তা ছাড়া বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সহযোগিতা, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং কাতারে কর্মরত লাখো বাংলাদেশি প্রবাসীর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে তাঁর অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়।

জামায়াতের আমির বলেন, তাঁর স্মৃতির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন ও দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকায় অবস্থিত কাতার দূতাবাস সড়কটি ‘শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি সড়ক’ নামে নামকরণের বিষয়টি রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।