২৭ জুলাই ২০২৬ | ২০:৪০

দেশের সর্বোচ্চ একাডেমিক সম্মাননাগুলোর একটি জাতীয় অধ্যাপক পদে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

নিপীড়নের বিরুদ্ধে মশাল জ্বেলে গানে গানে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের আরও পড়ুন নিপীড়নের বিরুদ্ধে মশাল জ্বেলে গানে গানে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের

সোমবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নীতিমালা-২০২৩ অনুযায়ী তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. মাহবুব উল্লাহ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন না। তিনি কোনো গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নিজের পছন্দের বিষয়ে গবেষণামূলক কাজ পরিচালনা করতে পারবেন। তবে গবেষণার ক্ষেত্র সম্পর্কে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) অবহিত করতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময় পরপর গবেষণা কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

এতে আরও বলা হয়, যে গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত থাকবেন, সেই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষও তার গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে ইউজিসির চেয়ারম্যানকে নিয়মিত অবহিত করবে। একই সঙ্গে গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে পাঠাতে হবে।

জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. মাহবুব উল্লাহ জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর গ্রেড-১ অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা ভোগ করবেন। তবে এ দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি অন্য কোনো চাকরিতে নিয়োজিত হতে পারবেন না।

জাতীয় অধ্যাপক পদ দেশের শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় অসামান্য অবদান রাখা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক ও চিন্তাবিদদের জন্য সরকারের দেওয়া অন্যতম সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় একাডেমিক সম্মান। ১৯৭৫ সাল থেকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ‘বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগ, শর্তাবলি ও সুবিধাদি সিদ্ধান্তমালা, ১৯৮১’ অনুযায়ী এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নীতিমালা-২০২৩ অনুসারে জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।