ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে এক ব্যক্তির মাদক সেবনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমদাদুল হক মুকুল নামের এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার মামলায় ওয়াসেল আহমেদ আজহার নামের এক ‘জুলাই যোদ্ধা’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে গ্রেপ্তার আজহারকে ময়মনসিংহ আদালতে পাঠায় পুলিশ।
এর আগে গতকাল রোববার রাতে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে আজহারকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার আজহার ধুরাইল এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে। তিনি গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা।
আরও পড়ুন
শিল্প, জলবায়ু ন্যায়বিচার ও অন্তর্ভুক্তিকে একসূত্রে আনল ‘দ্য তত্ত্বমসি সার্কেল’
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘হালুয়াঘাট হেল্পলাইন’ নামে একটি পেজে ধুরাইল ইউনিয়নের কাওলারা গ্রামের মো. লিটন মিয়ার (৪৮) মাদক সেবনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি উত্তর ধুরাইল এলাকার মো. এমদাদুল হক মুকুল (৪০) ঘটিয়েছেন—এমন সন্দেহ থেকে তাঁকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এর জেরে ১৫ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে মুকুল ধুরাইল বাজারের একটি মুদিদোকানে গেলে বিবাদীরা তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আহত মুকুলকে উদ্ধার করে প্রথমে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও অবস্থার অবনতি হলে পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় আহত মুকুলের ছোট ভাই মো. রোকন মিয়া বাদী হয়ে প্রথমে থানায় ও পরে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৫ নম্বর আমলি আদালতে চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
মামলার অভিযুক্ত আসামিরা হলেন কাওলারা গ্রামের মো. রুবেল মিয়া (৩৫), মো. লিটন মিয়া (৪৮), মো. আজাহার (৩০) ও মো. আ. মতিন (৫০)।
এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।