১৫ জুলাই ২০২৬ | ১২:৩৫

কয়েকদিন টানা বৃষ্টি ঝরেছে। এখন আবার চলছে মেঘ-রোদের লুকোচুরি। বর্ষায় দিনগুলোই এমন। আবহাওয়ায় ঘরে ঘরে সর্দি-জ্বর, কাশি, পেটের সমস্যা বেড়েছে। এই মৌসুমে শরীর সুস্থ রাখতে পাঁচ ভেষজ চা খুবই উপকারী। যেমন-

তদন্ত করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অভিযানে যাচ্ছে ঔষধ প্রশাসন আরও পড়ুন তদন্ত করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, অভিযানে যাচ্ছে ঔষধ প্রশাসন

তুলসী চা: তুলসী পাতার গুণের শেষ নেই।  এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এই পাতার সুগন্ধ মনে প্রশান্তিও দেয়। বর্ষায় দিনগুলি তুলসী পাতার চা দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় যোগ করতে পারেন।

আদা চা: এক কাপ তাজা আদা চা বর্ষার শীতল দিনগুলি উষ্ণ করে তোলে। গলাকে আরাম দিতে, সতেজ থাকতে নিয়মিত এই চা খেতে পারেন। আদায় থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহরোধী উপাদান কফ, খুসখুসে কাশি এবং গলাব্যথা উপশমে দারুণ কাজ করে। আদা হজমশক্তি ভালো রাখতেও ভূমিকা রাখে।

বিজ্ঞাপন

পুদিনা চা: পুদিনা চায়ে এক ধরনের শীতল, সতেজ স্বাদ এবং প্রশান্তিদায়ক সুগন্ধ রয়েছে। বর্ষাকালে গরম গরম পুদিনা পাতার চায়ে চুমুক দিলে হালকা ও আরামদায়ক অনুভূতি হয়।  পুদিনা পাতার চা হজমশক্তি বাড়াতে, গ্যাস, বদহজম ও পেট ফোলাভাব দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর।

যষ্ঠিমধুর চা: যষ্টিমধুর মূল, যা সাধারণত মুলেঠি নামে পরিচিত, ঐতিহ্যবাহী ভেষজ পানীয়তে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বর্ষাকালে যষ্ঠিমধুর চা খেলে মলীর নানাভাবে উপকৃত হয়। এতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এই চা সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা ও হজমশক্তি বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর।

দারুচিনি-লবঙ্গ চা: দারুচিনি এবং লবঙ্গের মিশ্রণে তৈরি হয় একটি সুগন্ধি ও উষ্ণ ভেষজ চা। তীব্র সুগন্ধ এবং আরামদায়ক স্বাদ এই চা বর্ষার সন্ধ্যায় একটি জনপ্রিয় পানীয়তে পরিণত হয়েছে। এতে সামান্য মধু যোগ করলে তা খেতে আরও ভালো লাগবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই চা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সূত্র: নিউজ এইট্টিন