সিরাজগঞ্জ ও উল্লাপাড়া প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬ | ২২:৩৪ | আপডেট: ২৭ জুলাই ২০২৬ | ২২:৪০

একাধিক রাজ্যে ধরপাকড়, ককরোচেরা উদ্বিগ্ন আরও পড়ুন একাধিক রাজ্যে ধরপাকড়, ককরোচেরা উদ্বিগ্ন

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি ও দলীয় নেতাকর্মীকে মারধরের মামলায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজাদ হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজাদ হোসেন, যুবদল নেতা মো. আশিক, রবিউল ইসলাম, শাহাদত হোসেন, মো. আব্দুল মোমেন ও শ্রমিক দল নেতা মমতাজ আলী।

বিজ্ঞাপন

মামলা থেকে জানা গেছে, ২০ জুলাই পঞ্চকোশী ইউনিয়নের মাটিকোড়া গ্রামের বাসিন্দা ও উল্লাপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে মারধর করা হয়। আলমগীর হোসেনের ভাই উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম মিষ্টার শনিবার সন্ধ্যায় থানায় আসেন। ওই সময় থানার গেটে তাঁকেও মারধর করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় আলমগীর হোসেন ও জাহিদুল ইসলাম মিষ্টার বাদী হয়ে রোববার সন্ধ্যায় পৃথক দুটি মামলা করেন।

উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজাদ হোসেনসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ দিকে জাহিদুল ইসলাম মিষ্টারের ওপর হামলা এবং তাঁকে মারধরের প্রতিবাদে সোমবার বেলা ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে উল্লাপাড়া শহীদ মিনার পাদদেশে এসে শেষ হয়। এখানে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ও উল্লাপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র এম বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল সরকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল মোমেন শফি, শহীদ জিহাদ স্মৃতি পরিষদের উল্লাপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি ওবাইদুল ইসলাম মাহবুব, বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক সন্টু, পঞ্চক্রোশী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী প্রমুখ। সভায় বক্তারা বিএনপি নেতা মিষ্টারের ওপরে হামলার তীব্র নিন্দা এবং হামলাকারীদের চাঁদাবাজি বন্ধ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।