২৭ জুলাই ২০২৬ | ১৭:১১

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় বাবার পাশে ঘুমিয়ে থাকা ১১ মাস বয়সী শিশু আমির হামজার লাশ সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিল্প, জলবায়ু ন্যায়বিচার ও অন্তর্ভুক্তিকে একসূত্রে আনল ‘দ্য তত্ত্বমসি সার্কেল’ আরও পড়ুন শিল্প, জলবায়ু ন্যায়বিচার ও অন্তর্ভুক্তিকে একসূত্রে আনল ‘দ্য তত্ত্বমসি সার্কেল’

নিহত আমির হামজা ওই গ্রামের বাসিন্দা সাব্বির হোসেন ও সাবিকুন নাহারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে শিশুটির মা সাবিকুন নাহার ঘুমন্ত ছেলে আমির হামজাকে বাবার কাছে রেখে কাজে যান। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফিরে এসে স্বামীর পাশে সন্তানকে না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা আশপাশের এলাকায় শিশুটির সন্ধান করতে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

একপর্যায়ে স্থানীয় নাঈম মিয়া সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে শিশুটির লাশ দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুটিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে—এমন সন্দেহে চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- একই গ্রামের মণির হোসেন (৩০), জাহাঙ্গীর আলম (৩৭), মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগম (৫৫) ও জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগম (৩৫)।

লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ বলেন, সেপটিক ট্যাংক থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শিশুটির বাবা অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।