পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের মাধবখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান লাভলুর বসতঘর খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে একদল ব্যক্তি। এ সময় ঘরে থাকা মূল্যবান মালপত্র, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগ তুলেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার। এ সময় ঘরটিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের কাঁঠালতলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামের হালিশহরে কারখানায় আগুন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কাজী মিজানুর রহমান লাভলু এলাকা ছেড়ে চলে যান। এর পর থেকে তাঁর স্ত্রী শিল্পী বেগম ও বৃদ্ধ মা বসতবাড়িতে থাকতেন। তবে চিকিৎসার জন্য তাঁরা বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করায় ঘটনার সময় বাড়িটি ফাঁকা ছিল। সেই সুযোগে গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত এক্সকাভেটর নিয়ে এসে বাড়িটি ভেঙে ফেলে।
মোবাইল ফোনে শিল্পী বেগম বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য ঢাকায় থাকাকালে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারি, গভীর রাতে একদল লোক আমাদের বাড়িতে অবস্থান নেয়। পরে তারা বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এক্সকাভেটর দিয়ে ঘরটি গুঁড়িয়ে দেয়।’
শিল্পী বেগমের অভিযোগ, ঘরে থাকা আসবাব, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করার পর ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাড়িতে ফিরে তাঁরা সবকিছু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখেন।
শিল্পী বেগম বলেন, ঘটনাটি স্থানীয় কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়িতে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মাধবখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান লাভলুর বসতঘর ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ঘরে থাকা মূল্যবান মালামাল, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের পাশাপাশি অগ্নিসংযোগেরও অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার।
শনিবার ভোররাতে উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের কাঁঠালতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কাজী মিজানুর রহমান লাভলু এলাকা ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে তাঁর স্ত্রী শিল্পী বেগম ও বৃদ্ধা মা বসতবাড়িতে থাকতেন। তবে চিকিৎসার জন্য তাঁরা বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করায় ঘটনার সময় বাড়িটি ফাঁকা ছিল। সেই সুযোগে গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত ভেকু নিয়ে এসে বাড়িটি ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মুঠোফোনে শিল্পী বেগম বলেন, চিকিৎসার জন্য ঢাকায় থাকাকালে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারেন, গভীর রাতে একদল লোক তাঁদের বাড়িতে অবস্থান করছে। পরে তারা বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভেকু দিয়ে পুরো ঘরটি গুঁড়িয়ে দেয়। তাঁর অভিযোগ, ঘরে থাকা আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করার পর ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাড়িতে ফিরে তাঁরা সবকিছু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখেন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় স্থানীয় কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়িতে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।
যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাজী মিজানুর রহমান লাভলুর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।